মাদক সম্রাট ইসমাঈলের নামে অভিযোগের পাহাড়; প্রশাসন নিশ্চুপ!

নিজস্ব প্রতিবেদক : হবিগঞ্জ জেলা মাধবপুর উপজেলার ৯নং নোয়াপাড়া ইউনিয়নের বেঙ্গাডোবা গ্রামের ইসমাঈল দীর্ঘকাল ধরে মাদকের জমজমাট ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ করে আসছে।
অভিযোগে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কৌশলে ইয়াবা, গাজা, ফেন্সিডিল ও হিরোইন বিক্রি করে আসছে।

ইসমাঈলের দুই ছেলেকে আলী হোসেন ও আলী নুর বাবার ব্যবসা ধরে রাখার জন্য গড়ে তুলেছে স্বশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী।

সরেজমিনে দেখা যায়, বেঙ্গাডোবা গ্রামে লোক সন্ত্রাসী বাহিনী ভয়ে এলাকার কোন লোক তাদের মাদক ব্যবসার বিরোধে কোন কিছু বলার সাহসও করেনা। ইসমাঈলের বাহিনীর নামে ডাকাতি ও মাদকের অনেক মামলা চলমান রয়েছে। গ্রামের বাড়িতে একটি বাহিনী গঠন করে মাদক ব্যবসা জমজমাট করে তুলেছে। ইসমাঈল বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছে।

গ্রামের বাড়িতে একটি বউ রেখে ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় তিনটি বিয়ে করেছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে বাসা ভাড়া নিয়ে ঢাকাসহ বাংলাদেশের অনেক জায়গায় মাদকদ্রব্য পাচার করে আসছে। ঢাকা শহরে ইসমাঈল সেলিম নামে পরিচিত। বর্তমানে গ্রামে সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে তার ছোট ভাই মোঃ রফিকুল ইসলাম ও আবু মিয়া কাজ করছে।

তাদরে সহযোগী হিসাবে রয়েছেন, সাজাহান মিয়া, পিতা মৃত হাজী আব্দুর রাজ্জাক, সবুজ মিয়া পিতা মোঃ বিল্লাল মিয়া, জহিরুল ইসলাম বেঙ্গা, পিতা মৃত নুরুল ইসলাম, ইকবাল মিয়া পিতা মোঃ আঃ লতিফ, মোঃ আব্দর রহমান পিতা মৃত নুরধন মিয়া, মুজাহিদ মিয়া ও সুহেল মিয়া উভয় পিতা মোঃ আফিজ উদ্দিন, মোঃ মানিক মিয়া পিতা মৃত মারাজ মিয়া।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক এলাকাবাসী জানান, ইসমাঈলের পিতার মৃত্যুর পর তাদরে অর্থ সম্পদ কিছুই ছিলনা। দিন এনে দিন খেয়ে জীবন যাপন করত। কিন্তু বর্তমানে ইসমাঈল অনেক জায়গা ও টাকা পয়সার মলিক বনে গেছেন।

এবিষয়ে নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোঃ জাবেদ বলেন, মাদক কারবারিদের সাথে আমার কোন আপোষ নেই। প্রশাসনের সকল কর্মকর্তাদের আমি সবিনয়ে অনুরোধ করছি, আমার ইউনিয়নের আর একটা যুবকও যেন করাল মাদকের ছুবলে ধ্বংস না হয় তার জন্য আপনাদের কঠোর ভুমিকা কামনা করছি।

ইতোমধ্যে গত ২০ই জুলাই নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৬ সদস্য ও স্থানীয় সচেতন মহলের ৬৭ জনের স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ পত্র প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে ডাক যোগাযোগ প্রেরন করা হয়েছে। কিন্তু অজানা কারণে এখন অভিযোগের কোন প্রতিক্রিয়া দেখতে পাচ্ছে না এলাকাবাসী।

রা/রা